পহেলা ফাল্গুণ, ভালোবাসা দিবস ও অমর একুশে ফেব্রুয়ারিকে কেন্দ্র করে করে ২০-২৫ লাখ টাকার ফুল বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার ফুল চাষীদের।
তিনটি দিবসকে কেন্দ্র করে সিংগাইরের বিভিন্ন বাজারসহ ঢাকার বিভিন্ন মার্কেটে গোলাপসহ সকল ফুলের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দামও বেড়েছে প্রায় চারগুণ । এতে বেশি লাভের আশায় ফুল চাষীদের মুখে হাসি ফুটেছে।
সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে সিংগাইর উপজেলার বিভিন্ন ফুলের দোকান ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি দেশি গোলাপ ৪০-৫০, জারবেরা ৫০-৬০, গ্লাডিওলাস ২৫-৩০, রজনীগন্ধা ১০-১৫ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।
কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর উপজেলায় প্রায় ২০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির ফুলের চাষ হয়েছে। সামনের তিনটি দিবসে প্রায় ২০-২৫ লাখ টাকার ফুল বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এছাড়াও সারা বছরে অভ্যন্তরীণ ফুলের বাজারে প্রায় ৫ কোটি টাকার ফুল বিক্রি হবে বলেও জানান তারা ।
এদিকে তিন দিবসকে ঘিরে ফুল কেটে বাজারে নিয়ে আসা এবং পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা। প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসের তিন বিশেষ দিনকে টার্গেট করে ফুলের বাজার ধরতে এ অঞ্চলের ফুলচাষিরা ব্যাপক প্রস্তুতি নেন। প্রতিদিনের মত ফুল বাগানে পরিচর্যায় ব্যস্ত রয়েছেন চাষিরা।
স্থানীয় ফুল চাষী আব্দুল খালেক জানান, কীটনাশকের দাম বৃদ্ধি ও পরিচর্যা খরচের তুলনায় আশানুরূপ দাম না পাওয়ায় আমরা লাভবান হতে পারছিনা। এবছর শৈতপ্রবাহের কারণেও ফুলের ফলন কম হয়েছে। বর্তমানে ফুলের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিক্রি ও লাভ দুইটাই বেড়েছে।
সিংগাইর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা টিপু সুলতান স্বপন জানান, এখানকার ফুল অভ্যন্তরীণ বাজারের চাহিদা মেটাতে বড় ভূমিকা রাখে। এখানকার মাটি ফুল চাষের জন্য উপযোগী হওয়াইয় ব্যাপক হারে ফুল উৎপাদন হয়ে থাকে। এছাড়া, চারা রোপণ, বাগান পরিচর্যা ও কীটনাশক প্রয়োগসহ যাবতীয় বিষয়ে চাষিদের সহযোগিতা করা হয়।
Leave a Reply