1. Raju@rstartv.com : rstartv : rstartv
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
হাতকড়া-ডাণ্ডাবেড়ি নিয়েই মায়ের জানাজা পড়ালেন বিএনপি নেতা, সোশাল মিডিয়া উত্তাল - R STAR TV
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩০ অপরাহ্ন

হাতকড়া-ডাণ্ডাবেড়ি নিয়েই মায়ের জানাজা পড়ালেন বিএনপি নেতা, সোশাল মিডিয়া উত্তাল

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ২৬০ Time View

হাতকড়া ও ডাণ্ডাবেড়ি নিয়ে মায়ের জানাজা পড়ান গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার বোয়ালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী আজম খান। গত মঙ্গলবারের এই ঘটনায় তার এলাকায় চলছে তোলপাড়। ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বইছে নিন্দার ঝড়।

সোশাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে বিষয়টি ‘অমানবিক’, ‘এটাই বাংলাদেশ’, ‘পুরো দেশের হাতেই এখন হাতকড়া আর পায়ে ডাণ্ডাবেড়ি’ ইত্যাদি লিখে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও অসন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা গেছে ব্যবহারকারীদের।

আলী আজমের ভাই আতাউর রহমান জানান, একটি রাজনৈতিক মামলায় তার ভাইকে ২ ডিসেম্বর গ্রেপ্তার করে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ। এরপর থেকে তিনি কারাগারে। মায়ের শেষ ইচ্ছা ছিল ভাই যেন তার জানাজা পড়ান। এ কারণেই প্যারোলে মুক্তি চাওয়া হয়। মায়ের ইচ্ছে অনুযায়ী ভাই জানাজা পড়ান। কিন্তু হাতকড়া ও ডাণ্ডাবেড়ি পরা ছিলেন তিনি। অনুরোধ করেও হাতকড়া ও ডাণ্ডাবেড়ি খোলানো যায়নি। তিন ঘণ্টার জন্য মুক্তি পেলেও তিনি মাত্র এক ঘণ্টার মতো ছিলেন। দাফনের পরই পুলিশ তাকে নিয়ে যায়।

আলী আজমের স্ত্রী মাহবুবা আক্তার লিপি বলেন, জামিনের চেষ্টা করেছি, কিন্তু জামিন হয়নি। পরে আবেদন করে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় আসেন। ডাণ্ডাবেড়ি খোলার অনুরোধ করেও কাজ হয়নি।

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পারভেজ আহমেদ বলেন, মায়ের মৃত্যুর খবরে আলী আজমকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দুঃখের বিষয়, জানাজার সময় হাতকড়া ও ডাণ্ডাবেড়ি খুলে দেওয়া হয়নি। কেন্দ্রীয় কৃষক দলের ভাইস চেয়ারম্যান বোয়ালী ইউনিয়নের বাসিন্দা আ ন ম খলিলুর রহমান ইব্রাহিম বলেন, আলী আজম খান একজন ভালো মানুষ। শুধু রাজনীতি করার কারণে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি নন। বিষয়টি অমানবিক।

কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকবর আলী খান বলেন, প্যারোলে মুক্তির পর বিএনপি নেতা আলী আজমকে ডাণ্ডাবেড়ি পরিয়ে পুলিশের কাছে দেওয়া হয়। ডাণ্ডাবেড়ির বিষয় আমাদের নয়। আমরা শুধু নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলাম।

গাজীপুর জেলা কারাগারের সুপার মোহাম্মদ বজলুর রশিদ বলেন, উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশনা এবং জেল আইন অনুযায়ী তাকে পাঠানো হয়।

জানা যায়, আলী আজমের বৃদ্ধ মা রবিবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে মারা যান। সংবাদ পেয়ে শেষবারের মতো মাকে দেখতে ও জানাজা পড়াতে আইনজীবীর মাধ্যমে প্যারোলে মুক্তি চান তিনি। আদালত তাকে মঙ্গলবার তিন ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি দেন। এরপর আলী আজমকে হাতকড়া ও ডাণ্ডাবেড়ি পরিয়ে পাবুরিয়াচালা এলাকায় নিজ বাড়িতে নেওয়া হয়। ওই অবস্থায়ই তিনি মায়ের জানাজা পড়ান।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি