টানা তিন দিনের ছুটিতে বিপুল পর্যটকের আগমনে মুখর হয়ে উঠেছে সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের বেলাভূমি সাগরকন্যা কুয়াকাটায়।
.মোঃ আবু হাসান.সাগরকন্যা কুয়াকাটায়।.
সাপ্তাহিক শুক্র ও শনিবার ছুটির সঙ্গে আজ রোববার বড়দিনের ছুটি যোগ হওয়ায় দেশের নানা প্রান্ত থেকে ভ্রমণপিপাসু পর্যটকেরা জড়ো হয়েছে কুয়াকাটায়। অনেকেই স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা শেষে সপরিবারে পাড়ি জমিয়েছেন সৈকতের তীরে।
রোববার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে সমুদ্রের সৌন্দর্য উপভোগ করতে কুয়াকাটা সৈকতে ভিড় দেখা গেছে নানা বয়সী মানুষের। সৈকতে ঢেউয়ের সঙ্গে মিতালিতে নেমেছেন তারা।
পর্যটকরা বলেন, শীতের এই সকালে সমুদ্রে পাড়ে একটি নৈসর্গিক পরিবেশ। এছাড়া আগে সড়কপথে ফেরিতে পদ্মা নদী পার হতেও পোহাতে হতো বেশ ভোগান্তি। পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর এখন আর সেই অবস্থা নেই।
কুয়াকাটায় যেতে আগে অন্য যেসব নদীতে ফেরি পার হতে হতো, সেগুলোতেও সেতু হয়েছে। ফলে এবার ছুটিতে কুয়াকাটায় পর্যটকদের ভিড় বেড়ছে।
পদ্মা সেতু চালুর পর কুয়াকাটার প্রতি পর্যটকদের কাছে আগ্রহ বেড়েছে জানিয়ে পলাশ নামে এক পর্যটক বলেন, চট্টগাম, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, জামালপুর থেকেও পর্যটকেরা আসছেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের পর্যটনের যে বড় দুটি গন্তব্য একটি হচ্ছে কক্সবাজার, আর পরের গন্তব্যটিই হচ্ছে সাগরকন্যা কুয়াকাটা।
ঢাকা থেকে আসা পর্যটক অনির্বাণ বলেন, আমি একটি বেসরকারি ব্যাংকে চাকরি করি। তিন দিনের ছুটি পাওয়ায় পরিবারের সবাইকে নিয়ে কুয়াকাটায় বেড়াতে এসেছি। অনেক আনন্দ করেছি। এখানের পরিবেশ আমাদের ভালো লেগেছে। তবে সৈকতের বিচ একটু অগোছালো মনে হয়েছে।
বিপুল সংখ্যক পর্যটক আগমনে খুশি হোটেল-মোটেল ব্যবসায়ীরাও। পর্যটকদের চাপ এতোই বেশি যে তাদের জায়গা দিতে পারছেন না তারা। পর্যটকরা হন্যে হয়ে থাকার জায়গা খুঁজছেন। পর্যটকদের ভিড় দেখে খাবার হোটেল ও ঝিনুক মার্কেটের ব্যবসায়ীরাও খুশি।
Leave a Reply