1. Raju@rstartv.com : rstartv : rstartv
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
সরকারি অ্যাম্বুলেন্স সেবা বন্ধ, বাড়তি খরচের সঙ্গে বেড়েছে ভোগান্তি - R STAR TV
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১১ পূর্বাহ্ন

সরকারি অ্যাম্বুলেন্স সেবা বন্ধ, বাড়তি খরচের সঙ্গে বেড়েছে ভোগান্তি

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১৬৩ Time View

জ্বালানি সংকটের কারণ দেখিয়ে অ্যাম্বুলেন্স দুটিতে রোগী বহন করা হচ্ছে না। সরকারি অ্যাম্বুলেন্স তালাবদ্ধ। ফলে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সে রোগী বহনে অর্থের সঙ্গে বেড়েছে ভোগান্তিও। প্রায় ৪ মাস ধরে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চলছে এমন অবস্থা। দীর্ঘ সময় ধরে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স সেবা বন্ধ থাকলেও সংকট নিরসনে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স চালক মো. জহুরুল ইসলাম ইত্তেফাককে জানান, সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে রোগী বহনে রোগী পর্যায়ে সীমিত ব্যয় হয়। কিন্তু বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ক্ষেত্রে সেই ব্যয় আরও তিনগুন বাড়ে। তিনি বলেন, প্রতি বছর ১৮ থেকে ২০ লাখ টাকার জ্বালানি তেল ব্যয় হয় সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে। অথচ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বাজেট শাখা থেকে বরাদ্দ আসে ৭ থেকে ১০ লাখ টাকা। মূলত ফিলিং স্টেশন থেকে বাৎসরিক চুক্তিতে জ্বালানি তেল কিনে অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু রেখেছিলেন তিনি। কিন্তু গত অর্থ বছরে তেল বাবদ ১৫ লাখ টাকা বকেয়া পড়ায় সরকারিভাবে অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু রাখা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে প্রায় ৪ মাস ধরে বন্ধ রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ এই সেবা।

মঙ্গলবার কয়েকজন রোগীর স্বজন ইত্তেফাককে জানান, রোগীর মূমুর্ষ সময়ে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স পাননি তারা। বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সে রোগীকে নাটোর এবং রাজশাহী নিয়েছেন। এতে অর্থের সঙ্গে নষ্ট হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ সময়।

মূলত ২০০৯ সালে এই হাসপাতালটি ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যা উন্নীত করা হয়। ভৌগলিক কারণে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি চলনবিলের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত হওয়ায় উপজেলার প্রায় ৩ লাখ মানুষ ছাড়াও আশপাশের সিংড়া, বড়াইগ্রাম, তাড়াশ ও চাটমোহর উপজেলার বহু মানুষ এই হাসপাতালের ওপর নির্ভরশীল। অথচ এমন জনগুরুত্বপূর্ণ হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে অ্যাম্বুলেন্স সেবা বন্ধ রয়েছে। হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, প্রতি ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে অন্তত ৫০ জন রোগীর হাসপাতালে ভর্তি হয়। অভ্যন্তরীণ ও জরুরি বিভাগ মিলিয়ে প্রায় প্রতিদিন দুজন রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা অথবা বিভাগীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়। সরকারি অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে অনেক সময় রোগীর স্বজনেরা বাড়তি অর্থের সঙ্গে ভোগান্তিতে পড়েন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. মুজাহিদুল ইসলাম অ্যাম্বুলেন্স সেবা বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করে ইত্তেফাককে বলেন, সরকারিভাবে তেলের বরাদ্দ না থাকায় বাধ্য হয়েই অ্যাম্বুলেন্স সেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। সংকট নিরসনে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা দাবি করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি