1. Raju@rstartv.com : rstartv : rstartv
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
অনুদানের চলচ্চিত্রের ভবিষ্যৎ কী? - R STAR TV
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩১ অপরাহ্ন

অনুদানের চলচ্চিত্রের ভবিষ্যৎ কী?

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২১ আগস্ট, ২০২৪
  • ১৮০ Time View

চলচ্চিত্র শিল্পে মেধা ও সৃজনশীলতার বিকাশে ১৯৭৬ সাল থেকে সিনেমা নির্মাণের জন্য প্রতিবছর সরকারি অনুদান দেওয়া হয়ে থাকে। গত ১৬ বছর ধরে এই অনুদান দেওয়া নিয়ে নানা প্রশ্ন আর বিতর্ক উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, সিনেমা নির্মাণের জন্য এমন নির্মাতারা অনুদান পান- যাদের অর্থের অভাব নেই। আবার পরিচালনার অভিজ্ঞতাও অনেকের নেই। কী কারণে এবং কোন পদ্ধতিতে অনুদানের জন্য তারা মনোনীত হয়েছেন, সেটা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অনুদানের চেক পাওয়ার ৯ মাসের মধ্যে একটি সিনেমা তথ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে বলা হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে কারো দেরি হলে তারা যুক্তিসংগত কারণ দেখালে মেয়াদ বাড়াতে পারে। কিন্তু অনুদান পেয়েছেন কিন্তু সিনেমার কাজ শেষ করতে পারেননি-এমন উদাহরণ রয়েছে প্রচুর। মূলত সিনেমার নির্বাচিত চিত্রনাট্যের ওপরই এই সরকারি অনুদান দেওয়ার কথা। যার চিত্রনাট্য বা গল্প ভালো তিনিই অনুদান পাবেন।

সেক্ষেত্রে প্রযোজক-পরিচালক কোনো বিষয় নয়। মন্ত্রণালয়ের এক শ্রেণির কর্মকর্তার সঙ্গে যোগসাজশের কারণে অনেক পরিচালক-প্রযোজক পার পেয়ে গিয়েছেন। যার কারণে নির্মাতাদের কোনো ধরনের জবাবদিহি করতে হয় না। এ অভিযোগে বেশ কয়েকজন নির্মাতার নামে মামলাও হয়েছে। অনুদানের অনিয়ম ও অস্বচ্ছতার অবসান চেয়ে বহুবার সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্রপর্যদ নান্দনিক ও নিরীক্ষাধর্মী চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য অনুদান প্রদানের পদ্ধতি শুরু হয়। শুরুর দিকে সরকারি অনুদানেই নির্মিত হয়েছিল ‘সূর্য দীঘল বাড়ি’ এবং ‘এমিলের গোয়েন্দা বাহি- নী’র মতো কালজয়ী চলচ্চিত্র।

বিন্তু চলচ্চিত্র অনুদানে এই শিল্পগুণধর্মী চলচ্চিত্রের ধারা বহমান থাকেনি বিগত বছরগুলোতে অনুদান প্রদানের প্রক্রিয়াটি বিতর্কিত এবং প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে গেছে। প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে চলচ্চিত্রের মান এবং গুণও। বেশ কয়েকজন চলচ্চিত্র সমালোচক ও লেখক এ বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেছেন। কিন্তু তথ্য মন্ত্রণালয়কে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।

চলচ্চিত্রবোদ্ধারা বলছেন, সরকারি অনুদানের ছবি কে দেখে, কোথায় প্রদর্শন হয়, এসবের নির্মাণকাজ কখন শেষ হয়, আদৌ শেষ হয় কিনা-এই বিষয়গুলো সরকারসহ কেউই জানে না। শুধু অনুদানের টাকার খবর জানে তথ্য মন্ত্রণালয় চলচ্চিত্রে অনুদান দাওয়াল একটি সিন্ডিকেট। সরকারি অনুদানে পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রামাণ্য চলচ্চিত্র আজ উপেক্ষিত।

বাংলাদেশে সিনেমা ও টেলিভিশনের (বিসিটিআই) প্রাক্তনী সংসদ অনুদানের এই বিতর্কিত বিষয় নিয়ে সভা সম্মেলন ও আন্দোলন করেছেন। তাদের ভাষ্য মতে, চলচ্চিত্র শিল্পের বিকাশে অনুদান একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কিন্তু বাস্তবিক অর্থে এই অনুদান ভিন্ন পথে কিছু ব্যাক্তিস্বার্থের পক্ষে ব্যবহার হয়েছে। চলচ্চিত্রের উন্নয়ন না করে স্বজনপ্রীতি ও দলীয়করণের উন্নয়ন করা হয়েছে। অনুদান পাওয়া উচিত অনুদানের যোগ্য সিনেমার। অনুদান কমিটির স্বচ্ছতার দাবিতে তাদের আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে।

২০২৩ অর্থবছরের অনুদানের সিনেমাগুলোর রয়েছে-শিশুতোষ মধ্যে ‘অদ-ভুত’, নোম্যাডস অব দ্য নর্থ। ‘কালের যাত্রা’, ‘মিহিন গাথা’, ‘ঠিকানা’, ‘সুরাইয়া’, ‘জয়া’, ‘লোভ’, ‘জাত’, ‘সেয়ানা’, ‘হা ঘরে, ‘অপরাজিত ৭১, ‘জলদাসী সহ আরো কিছু চলচ্চিত্র।

সিনেমাপ্রেমীদের মধ্যে এখন প্রশ্ন এই অনুদান পাওয়া সিনেমা গুলোর অবস্থা এখন কী হবে? সিনেমাগুলোতে বরাদ্ধকৃত অর্থের যথাযথ হিসেব মিলবে কি? মুক্তি পাবে নাকি আটকে থাকবে সিনেমাগুলো? এই বিষয়গুলো নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখালেখি করছেন অনেকেই।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি