কক্সবাজারে শহরের কলাতলীর হোটেল ‘সী আলিফ’ থেকে মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চট্টগ্রাম থেকে স্বামী জেবন দেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পারিবারিক কলহ, স্ত্রীকে সন্দেহসহ তৃতীয় সন্তানকে নিয়ে বিরোধের কারণে পরিকল্পিতভাবে স্ত্রী ও তৃতীয় মেয়েকে হত্যা করেছে জেবন দে- সংবাদ সম্মেলনে এমন তথ্যই দেয় পুলিশ। তবে স্ত্রীকে হত্যার দায় স্বীকার করে ঘাতক জেবন দে বলেন, ছোট সন্তানের মরদেহ হোটেল কক্ষের বাথরুমের বালতিতে দেখতে পেয়ে রাগের মাথায় স্ত্রীকে গলাটিপে হত্যা করেন। তবে কে বা কারা ছোট সন্তানকে হত্যা করেছে তিনি জানেন না।
পুলিশ সূত্র জানায়, হোটেল সী আলিফের ৪১১ নম্বর কক্ষ থেকে শুক্রবার সুমা দে ও তার ছোট মেয়ে অনামিকা দের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর ২৪ ঘণ্টা পেরোনোর আগেই শনিবার ভোররাত সাড়ে ৩ চট্টগ্রাম বাকলিয়া থানা এলাকার শাহ আমানত সেতুসংলগ্ন মারসা পরিবহনের কাউন্টারের সামনে থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
বাকলিয়া থানার ওসি আবদুর রহিম বলেন, শুক্রবার কক্সবাজার শহরের এক আবাসিক হোটেলকক্ষ থেকে মা-মেয়ের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নিহত সুমা দের স্বামী জেবিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিকভাবে তিনি স্ত্রীকে হত্যার দায় স্বীকার করলেও শিশু সন্তানকে কে হত্যা করেছে তা জানেন না বলে জানান। ধৃত জেবিনকে কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এদিকে হোটেল আলিফের মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নিহত সুমা দের ভাই রঞ্জন দে বাদী হয়ে ঘাতক ভগ্নিপতিকে একমাত্র আসামি করে কক্সবাজার সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
Leave a Reply