1. Raju@rstartv.com : rstartv : rstartv
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
হিন্দুদের ওপর হামলা: নীলফামারীতে বড় বিক্ষোভ - R STAR TV
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:১১ অপরাহ্ন

হিন্দুদের ওপর হামলা: নীলফামারীতে বড় বিক্ষোভ

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১১ আগস্ট, ২০২৪
  • ২০১ Time View

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশজুড়ে হিন্দুদের বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও উপাসনালয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিবাদে রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্ষোভ হয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে নীলফামারীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বড় আকারের বিক্ষোভ হয়েছে। শনিবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০ টায় বিক্ষোভ শুরুর কথা থাকলেও তুমুল বৃষ্টির কারণে তা পিছিয়ে যায়। তবে ১১টা নাগাদ হাজার হাজার বিক্ষোভকারী নীলফামারীর শিবমন্দির থেকে বিক্ষোভ শুরু করেন। ষ্টি উপেক্ষা করে বিক্ষোভকারীরা দেওয়ান কামাল চত্বরে যায়। সেখান থেকে চৌরাঙ্গী মোড়ে অবস্থান নেওয়ার কথা থাকলেও শহীদ মিনারে অবস্থান নেয় হাজার হাজার বিক্ষোভকারী।

নীলফামারী গীতা স্কুল পরিচালনা পরিষদ, বাংলাদেশ হিন্দু ছাত্র মহাজোট, নীলফামারী জেলা সাধারণ সনাতনী শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে লক্ষীচাপ, চওড়া, ধর্মপাল, পলাশবাড়ী, শিমুলবাড়ী, গোরগ্রাম, খোকশাবাড়ী, টুপামারী, রামনগর, কচুকাটা, পঞ্চপুকুর ইটাখোলা, কুন্দপুকুর, সোনারায়, চড়াইখোলা, সংগলশী, চাপড়া ইউনিয়নের ১০ হাজারের বেশি মানুষ এতে অংশ নেয়। বিক্ষোভে ‘মঠ-মন্দিরে হামলা কেন প্রশাসন চুপ কেন’, ‘হিন্দু মুসলিম ভাই ভাই, বৈষম্যের ঠাই নাই’, ‘আমার ঘর পুড়ল কেন-জবাব চাই জবাব চাই’, ‘রাষ্ট্রের কোনো ধর্ম নাই, ‘মুক্তিযুদ্ধের হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার’, ‘স্বাধীন দেশে হিন্দুদের ওপর হামলা কেন’- ইত্যাদি নানা ধরনের স্লোগান দিতে থাকেন। সেইসঙ্গে সংখ্যালঘু কমিশন গঠনসহ নানা দাবি সম্বলিত পোস্টার, ফেস্টুন নিয়েও বিক্ষোভে উপস্থিত ছিলেন অনেকে।

বিক্ষোভে কাব্য রায় নামে একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী বলেন, ‘যেহেতু বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, অনুচ্ছেদ ২ক: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম। তবে হিন্দু, বৌদ্ধ খ্রিষ্টানসহ অন্যান্য সকল ধর্ম পালনে রাষ্ট্র সমমর্যাদা ও সম অধিকার নিশ্চিত করবেন। অনুচ্ছেদ ২৮(১): কেবল ধর্ম গোষ্ঠী বর্ণ নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোনো নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করিবেন না। তাই সংবিধান অনুযায়ী অনতিবিলম্বে এসব সহিংসতা বন্ধ করে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।’ এছাড়া রতন রায় নামে আরেক বিক্ষোভকারী বলেন, ক্ষমতার পালাবদল হলেই সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা হয়। বিএনপি ক্ষমতায় আসলেও হামলা হয়, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলেও। গত ৪/৫ দিন সারারাত ধরে বাড়ি-মন্দির পাহারা দিতে হচ্ছে। দেশটা হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবার। সবাই আমরা ভাই ভাই, একসাথে মিলেমিশে থাকতে চাই।

দুপুর ২টার দিকে বিক্ষোভকারীরা তাদের সকল দাবি জানিয়ে বিক্ষোভের পরিসমাপ্তি ঘোষণা দেন।

উল্লেখ্য, শনিবার বাংলাদেশে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ এবং বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ নামে দুইটি সংগঠনের, শেখ হাসিনার পতনের পর দেশের ৫২টি জেলায় সংখ্যালঘু মানুষের ওপর ২০৫টি হামলার ঘটনা ঘটেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি