ইভিএম ব্যবহার নিয়ে শঙ্কা আর উদ্বেগের মধ্যেই শুরু হয়েছে তৃতীয় রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন। আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে শুরু হয় মহানগরীর ২২৯টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ। এটি চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। প্রতিটি কেন্দ্রে ৩ সেট ইভিএমে ভোটগ্রহণ হচ্ছে।
২২৯টি ভোটকেন্দ্র ও এর আশপাশে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৮৬ কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এক এসআই-সহ ৩ সশস্ত্র পুলিশ সদস্য ও ২ সশস্ত্র আনসারসহ ১২ আনসার সদস্য প্রতিটি কেন্দ্রে মোতায়েন থাকছে। প্রতিটি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে পাহারা দিতে ২ সশস্ত্র এসআইসহ ৪ সশস্ত্র পুলিশ ও ১২ জন আনসার সদস্যকে নিয়োজিত করা হচ্ছে। প্রতিটি কেন্দ্রে ৬ নারী আনসার সদস্যও থাকছেন। এ ছাড়াও বিজিবি, র্যাব ও এপিবিএনের সম্মিলিত দল আজ নির্বাচনের সময় যেকোনো সংকট মোকাবিলায় স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করছে।
জানা গেছে, ১১ প্লাটুন বিজিবি ও ১৬ প্লাটুন র্যাব স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে। কিছুক্ষণের মধ্যেই ৩৩টি ওয়ার্ডে প্রায় ৩৩ নির্বাহী ও ১২ বিচারিক হাকিম দায়িত্ব নেবেন।
১৭ দিনব্যাপী নির্বাচনী প্রচারণা রবিবার রাতে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়। বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা ছাড়া তেমন বড় কোনো সংঘাতের সংবাদ পাওয়া য়ায়নি। এমনকি নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের কোনো অভিযোগও করা হয়নি প্রচারণার সময়। গত ৯ ডিসেম্বর রসিক নির্বাচনের প্রচার শুরু হয়।
মেয়র পদে ৯ জন, ৩৩টি কাউন্সিলর পদে ১৮৩ জন এবং ১১টি সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ৬৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২০১২ সালে রংপুর সিটি করপোরেশন গঠন করা হয়। এবারের নির্বাচনে রসিকের ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ২৬ হাজার ৪৭০ জন। গত নির্বাচনের তুলনায় এ বছর ভোটার বেড়েছে প্রায় ৩২ হাজার ৪৭৫ জন।
Leave a Reply